২০২৬ সালের বিশ্বকাপ প্রথম ম্যাচেই রেকর্ড গড়েছেন মেসি। প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিকের দেখা পেলেন। টুর্নামেন্টের আগে মেসির গোল ছিল ১৩। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডেও ভাগ বসালেন।

লিওনেল মেসি। ছবি: ফিফার ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া।
লিওনেল মেসি। ছবি: ফিফার ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া।

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে তাদের তৃতীয় শিরোপা এনে দেন। অধিনায়ক হিসেবে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে ৭টি গোল ও ৩টি অ্যাসিস্ট করেন। ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বল জেতার অনন্য রেকর্ড গড়েন।

লিওনেল মেসি। ছবি: ফিফার ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া।

লিওনেল মেসি। ছবি: ফিফার ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া।

২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে চার ম্যাচ খেলে একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করেন। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ফ্রান্সের কাছে ৪-৩ গোলে হেরে আর্জেন্টিনা শেষ ১৬ থেকে বিদায় নিলে মেসির বিশ্বকাপ যাত্রা সেখানেই শেষ হয়।

লিওনেল মেসি। ছবি: ফিফার ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া।

লিওনেল মেসি। ছবি: ফিফার ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া।

২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি ছিলেন আর্জেন্টিনার মূল চালিকাশক্তি। তিনি দলকে একাই টেনে নিয়ে গিয়েছিলেন ফাইনালে এবং টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ফিফার গোল্ডেন বল অর্জন করেন।

লিওনেল মেসি। ছবি: ফিফার ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া।

লিওনেল মেসি। ছবি: ফিফার ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া।

২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি ছিলেন আর্জেন্টিনা দলের অন্যতম প্রধান ভরসা। তবে ডিয়েগো ম্যারাডোনার কোচিংয়ে খেলা ওই বিশ্বকাপে তিনি কোনো গোল পাননি। যদিও পাঁচটি ম্যাচ খেলে দলের জয়ে একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন। ওই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছিল।