সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে আগেই বন্ধ রাখা হয়েছিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট৷ কিন্তু তারপরও সাইবার হামলার শিকার হয়েছে ওয়েবসাইটটি৷

সম্প্রতি, ওয়েবসাইট তৈরি ও পরিচালনার প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপি-তে দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হয়েছে। ফলে, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সরকারি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আর তাই, সাইবার হামলা এড়াতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের সিস্টেমের নিরাপত্তা যাচাই ও হালনাগাদ করার উদ্যোগ নিয়েছে।

সাইবার হামলার শঙ্কায় বন্ধ রাখায় হয়েছে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ওয়েবসাইটটিও৷

রোববার ব্যাংক দুটির ওয়েবসাইটে ঢুকতে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে একটি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণের কার্যক্রম চলছে। শিগগিরই তা চালু হবে। এ জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছে।

বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার প্রথম আলো জানিয়েছে, জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইটে অন্তত দুটি সাইবার হামলার চিহ্ন শনাক্ত হওয়ার পর সেগুলো ঠিক করতে কাজ করছেন ব্যাংকটির তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের কর্মীরা৷

অন্যদিকে, তিনদিন পর খুলে দেওয়া হয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট৷ ২৫ অক্টোবর স্থানীয় সময় সকাল আটটায় ওয়েবসাইটটি খুলে দেওয়া হয়৷ সাইবার হামলার আশঙ্কায় ২২ অক্টোবর থেকে ওয়েবসাইটটি বন্ধ করে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক৷

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান প্রথম আলোকে বলেছেন, ওয়েবসাইটে কোনো ত্রুটি আছে কিনা, তা পরীক্ষা করা হয়। বিশ্বজুড়ে হামলার আশঙ্কায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ঝুঁকি কেটে যাওয়ায় ওয়েবসাইটটি আবার খুলে দেওয়া হয়েছে৷

বাংলাদেশের অগ্রণী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক ও এসবিএসি ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হলেও এখন চালু আছে৷

তবে, ওয়েবসাইট বন্ধ থাকলেও ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেন স্বাভাবিক ছিল৷ ফলে গ্রাহকদের লেনদেনের কোনো সমস্যা হয়নি৷

সূত্র: প্রথম আলো, DW বাংলা