• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন

‘হ্যালো ডিসি’তে অভিযোগ, কেরানীগঞ্জে কলাতিয়া খালের ময়লার স্তূপ অপসারণ

কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ময়লার স্তূপ অপসারণ করে পরিষ্কার করা হয়েছে কলাতিয়া খাল ও ব্রিজের নিচের এলাকা। ‘হ্যালো ডিসি’তে অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত পদক্ষেপ নেয় উপজেলা প্রশাসন।

রোববার (১০ আগস্ট) ঢাকার জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম অভিযোগটি কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে পাঠিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগে খাল ও ব্রিজের নিচে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কলাতিয়া বাজার ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার গৃহস্থালি বর্জ্য নিয়মিতভাবে কলাতিয়া খাল ও ব্রিজের নিচে ফেলা হতো। দীর্ঘদিন ধরে ময়লা জমতে জমতে জায়গাটি বড় ধরনের ভাগাড়ে পরিণত হয়। এতে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশ দূষিত হচ্ছিল।

ময়লার স্তূপের পাশেই রয়েছে কলাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়। ফলে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্গন্ধ ও ময়লা-আবর্জনার মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছিল। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভও তৈরি হয়।

পরে বিষয়টি ‘হ্যালো ডিসি’তে অভিযোগের মাধ্যমে জেলা প্রশাসনের নজরে আসে। অভিযোগ পাওয়ার পর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে দ্রুত ময়লা অপসারণ করে এলাকাটি পরিষ্কার করা হয়।

ময়লা অপসারণের পর স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি থাকলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ‘হ্যালো ডিসি’তে অভিযোগ করার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় তারা সন্তুষ্ট।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগ দ্রুত সমাধানের উদ্দেশ্যেই ‘হ্যালো ডিসি’ সেবা চালু করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, নাগরিকদের সমস্যা দ্রুত সমাধানে ‘হ্যালো ডিসি’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কলাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ময়লার স্তূপের অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে এলাকাটি পরিষ্কার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের চলাচলের স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা সবার দায়িত্ব। যত্রতত্র ময়লা না ফেলতে স্থানীয়দের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি ‘হ্যালো ডিসি’র মাধ্যমে পাওয়া নাগরিক অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান জেলা প্রশাসক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...