• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা কেরানীগঞ্জে আমান প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ১ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার ‘মজা করে কমেন্ট করেছি’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে মন্তব্যে যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি আইনজীবীর ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেও সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংক কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ৩ কেরানীগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনের পাশে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার ইরানে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধের শঙ্কা, বিপদে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, তিন মাস পর মিলল মুন্নির ঝুলন্ত মরদেহ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬

টাঙ্গাইলের টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে হয় মোনিয়া রহমান মুন্নির। আর বিয়ের মাত্র তিন মাসের মাথায় তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে তার স্বামীর বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মৃত মোনিয়া রহমান মুন্নি (১৯) জেলার গোপালপুরের হেমনগর ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের মধ্যপাড়া ভূঁইয়াবাড়ীর মঞ্জু মিয়ার মেয়ে ও একই গ্রামের লাল মিয়া ভূঁইয়ার ছেলে জিহাদ ভূঁইয়ার স্ত্রী ছিলেন।

এ ঘটনায় তাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মুন্নির মা রিনা বেগম।

তিনি জানান, বিয়ের আগেও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালানো হতো। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ হলেও অবস্থার পরিবর্তন হয়নি।

জানা গেছে, প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিয়ের দাবিতে কয়েক মাস আগে মুন্নি প্রেমিক জিহাদ ভূঁইয়ার বাড়িতে টানা ৫ দিন অনশন করেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় গ্রাম্য সালিশে গত ৩০ এপ্রিল ৯ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে হয়।

মুন্নির পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই মুন্নির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। এ ঘটনায় এর আগেও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। কিন্তু নির্যাতন বন্ধ হয়নি। এখন হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

মৃতের বাবা-মায়ের দাবি, মুন্নিকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী জিহাদ ভূঁইয়া ও তার মা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। অভিযোগের বিষয়টিও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...