• বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী আসামির ঢামেকে মৃত্যু টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, তিন মাস পর মিলল মুন্নির ঝুলন্ত মরদেহ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ডিবির অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৬ লংমার্চের ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের প্রেমিকার বিয়ের দিন গাছের সঙ্গে ঝুলছিল প্রেমিকের মরদেহ কেরানীগঞ্জের পাঁচ ইউনিয়নের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত বুড়িগঙ্গা থেকে দুই মরদেহ উদ্ধার, একজনের পরিচয় শনাক্ত প্রেমের টানে কেরানীগঞ্জে চীনা যুবক, ধর্ম বদলে করলেন বিয়ে কেরানীগঞ্জের সাবেক ওসিসহ বিভিন্ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার, পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি

টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, তিন মাস পর মিলল মুন্নির ঝুলন্ত মরদেহ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬

টাঙ্গাইলের টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে হয় মোনিয়া রহমান মুন্নির। আর বিয়ের মাত্র তিন মাসের মাথায় তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে তার স্বামীর বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মৃত মোনিয়া রহমান মুন্নি (১৯) জেলার গোপালপুরের হেমনগর ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের মধ্যপাড়া ভূঁইয়াবাড়ীর মঞ্জু মিয়ার মেয়ে ও একই গ্রামের লাল মিয়া ভূঁইয়ার ছেলে জিহাদ ভূঁইয়ার স্ত্রী ছিলেন।

এ ঘটনায় তাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মুন্নির মা রিনা বেগম।

তিনি জানান, বিয়ের আগেও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালানো হতো। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ হলেও অবস্থার পরিবর্তন হয়নি।

জানা গেছে, প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিয়ের দাবিতে কয়েক মাস আগে মুন্নি প্রেমিক জিহাদ ভূঁইয়ার বাড়িতে টানা ৫ দিন অনশন করেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় গ্রাম্য সালিশে গত ৩০ এপ্রিল ৯ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে হয়।

মুন্নির পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই মুন্নির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। এ ঘটনায় এর আগেও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। কিন্তু নির্যাতন বন্ধ হয়নি। এখন হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

মৃতের বাবা-মায়ের দাবি, মুন্নিকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী জিহাদ ভূঁইয়া ও তার মা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। অভিযোগের বিষয়টিও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...