• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কেরানীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযানের উদ্বোধন কেরানীগঞ্জে জিপিএ-৫ ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেশে সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা হচ্ছে: আমানউল্লাহ বিএনপি-আ.লীগ মিলেমিশে বালু উত্তোলনের ব্যবসা র‍্যাবের বদলে এসআরবি, সংসদে বিল পাস ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার, মিলল চাপাতি ও খেলনা হ্যান্ডকাফ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের পুকুরে নেমে দুই নারীর মৃত্যু স্বামীর সঙ্গে বিরোধ মেটানোর কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণ, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার কেরানীগঞ্জে নকল ডিটারজেন্ট কারখানায় অভিযান, মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা কেরাণীগঞ্জ ও শোয়ারিঘাটে পৃথক অভিযানে ভারতীয় পণ্য ও পলিথিন জব্দ

শ্রমিককে ধর্ষণের অভিযোগে কারখানা মালিকের বিরুদ্ধে মামলা

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬

ঝালকাঠিতে ধর্ষণ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং গর্ভবতী করার অভিযোগে কারখানা মালিক ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক নারী শ্রমিক। মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে ঝালকাঠি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফ মোহাম্মদ সানাউল্লাহ অভিযোগটি আমলে নিয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এ নির্দেশ প্রদান করেন।
মামলার বাদী ঝালকাঠি শহরের পূর্ব কাঠপট্টি এলাকার আদি সাবিহা কেমিক্যাল ওয়ার্কস (শাহী ৯৯ জর্দা) কারখানার একজন নারী শ্রমিক। মামলায় কারখানার মালিক ও ঝালকাঠি পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শামসুল হক মনু মিয়া ও শ্রমিক ফরিদ হোসেনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বিবরণী উল্লেখ করা হয়েছে, ফরিদ হোসেন চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগী নারী শ্রমিককে কারখানার মালিক মনু মিয়ার কাছে নিয়ে যান। মনু মিয়া নানা প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ওই নারী শ্রমিকের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করেন। এরপর চাকরির সুবাদে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করা হয়।
মামলার বর্ণনায় আরও বলা হয়, গত ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর ২ নম্বর আসামি ফরিদ হোসেনও ভুক্তভোগী নারী শ্রমিককে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এতে ওই নারী গর্ভবতী হয়ে পড়ে। বিষয়টি গোপন রাখতে এবং গর্ভের সন্তানের বৈধতা দিতে মনু মিয়ার উদ্যোগে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদ হোসেনের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয় ওই নারীকে। পরে গত ১৫ জুলাই একটি কন্যা সন্তান জন্ম নিলে একই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর ফরিদ হোসেন ভুক্তভোগী নারী শ্রমিককে তালাক দেন।
বিষয়টি প্রকাশ করতে চাইলে আসামিরা ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারধর ও হুমকি দেন এবং একপর্যায়ে তাকে কারখানা থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে সাক্ষীদের সঙ্গে পরামর্শ করে ২ ডিসেম্বর থানায় মামলা করতে যান ওই নারী। পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। এরপর ন্যায়বিচারের আশায় ভুক্তভোগী নারী আদালতের শরণাপন্ন হন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী পার্থসারথি রায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগী নারী যেন ন্যায়বিচার পান, সে লক্ষ্যেই আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।
অভিযুক্ত শামসুল হক মনু মিয়ার বক্তব্য জানার জন্য তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, আদালতের নির্দেশনা এখনো থানায় এসে পৌঁছায়নি। হাতে পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...