• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কেরানীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযানের উদ্বোধন কেরানীগঞ্জে জিপিএ-৫ ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেশে সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা হচ্ছে: আমানউল্লাহ বিএনপি-আ.লীগ মিলেমিশে বালু উত্তোলনের ব্যবসা র‍্যাবের বদলে এসআরবি, সংসদে বিল পাস ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার, মিলল চাপাতি ও খেলনা হ্যান্ডকাফ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের পুকুরে নেমে দুই নারীর মৃত্যু স্বামীর সঙ্গে বিরোধ মেটানোর কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণ, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার কেরানীগঞ্জে নকল ডিটারজেন্ট কারখানায় অভিযান, মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা কেরাণীগঞ্জ ও শোয়ারিঘাটে পৃথক অভিযানে ভারতীয় পণ্য ও পলিথিন জব্দ

স্বামীর লাশ শত টুকরো করে স্ত্রী বললেন— ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

‘আমার স্বামী ফোনে অন্য মেয়েদের সঙ্গে কথা বলত। এ বিষয়ে কিছু বলতে গেলে প্রায়ই আমাকে মারধর করতেন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করি। আমি বুঝতে পারিনি এত জোরে আঘাত লাগবে। পরে চাকু দিয়ে লাশ টুকরো টুকরো করে কয়েক জায়গায় ফেলে দিই। আমি জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি। কিন্তু এ ঘটনা কীভাবে ঘটে গেল বুঝতে পারিনি।’
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী হত্যার কথা স্বীকার করে এসব কথা বলেন শরীয়তপুরের আসমা আক্তার। তার স্বীকারোক্তির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো টুকরো করে ড্রামে ভরে রাখার অভিযোগে শুক্রবার রাতে শরীয়তপুর পৌর এলাকার পালং উচ্চবিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা থেকে আসমা আক্তারকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন মালয়েশিয়া প্রবাসী জিয়া সরদার ও তার স্ত্রী আসমা আক্তার। প্রায় আট বছর আগে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। উভয়েরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। দীর্ঘদিন ধরে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। সম্প্রতি সেই বিরোধ চরম আকার ধারণ করে।
গত মঙ্গলবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আসমা তার স্বামী জিয়া সরদারের মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে হত্যাকাণ্ড গোপন করতে মরদেহটি ছুরি দিয়ে কয়েক টুকরো করেন আসমা। হাড় ও মাংস আলাদা করে একটি ড্রামে ভরে প্রায় তিন দিন বাসায় রেখে দেন তিনি। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি অটোরিকশা ভাড়া করে দেহের কিছু অংশ বস্তায় ভরে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন।
পুলিশ জানায়, দেহের মাংসের অংশগুলো শরীয়তপুর শহরের পালং এলাকার তার আগের ভাড়া বাসায় নিয়ে গিয়ে ফ্রিজে রাখতে চেয়েছিলেন আসমা। কিন্তু তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে।
আসমার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার আটং বৃক্ষতলা এলাকা থেকে মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...