• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ গ্যাসের দাম বাড়ালে পেট্রোবাংলা ঘেরাও করা হবে: নাহিদ ইসলাম কেরানীগঞ্জে ঝিলমিল আবাসিক এলাকা থেকে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির ‘কারখানা’, ঢাকাসহ আশপাশে চলত সরবরাহ কেরানীগঞ্জে কিশোরী হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন, প্রেমিক গ্রেপ্তার কেরানীগঞ্জে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ৩০ হাজার টাকার বিরোধে প্রেমিকের হাতে খুন কিশোরী তানজিলা, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার রানা ১৩ বছরের মায়ের কোলে ৭ মাসের সন্তান সওজের মাস্টাররোল ড্রাইভার নাসিরের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ কেরানীগঞ্জে বিআরটিসি বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা চালক আহত, চালক আটক

আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের হামলায় বিএনপির ছয় নেতাকর্মী আহত

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

খাগড়াছড়ির গুইমারায় পৃথক দুটি হামলার ঘটনায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ছয় নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

বুধবার (১০ জুন) রাতে উপজেলার বাইল্যাছড়ি ও বড়পিলাক এলাকায় এসব হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে গুইমারার বড়পিলাক এলাকার মো. হাসেমের বাড়িতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে গোপন বৈঠক করছেন—এমন খবর পেয়ে সেখানে যান বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাল্টা হামলায় বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের পাঁচ নেতাকর্মী আহত হন।

আহতরা হলেন হাফছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির, বড়পিলাক ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুন ও সদস্য জাহাঙ্গীর আলম রনি এবং ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য মামুন ও মাহবুব আলম।

অপরদিকে বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাইল্যাছড়ি এলাকায় গুইমারা ইউনিয়ন ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. ওমর ফারুক বাবুর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী বাপ্পি ত্রিপুরার নেতৃত্বে কয়েকজন হামলা চালান বলে অভিযোগ। হামলায় বাবুর মাথা গুরুতর জখম হয়।

গুইমারা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আরিফ বলেন, বাবুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার বলেন, পৃথক দুটি ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থার প্রস্তুতি চলছে। পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলা করা হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে মো. হাসেম ও ছাত্রলীগকর্মী বাপ্পি ত্রিপুরাসহ অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দী বলেন, বড়পিলাক এলাকায় হামলার ঘটনাটি তিনি শুনেছেন, তবে বাইল্যাছড়ির বিষয়টি তার জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...