দুর্নীতির দায়ে একাধিক কোম্পানির এলসি সীমা কমিয়ে দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। সেই সঙ্গে গত বছর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এলপিজির সংকট দেখা দেয় দেশের বাজারে। অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে বিপিসিকেও গত জানুয়ারিতে এলপিজি আমদানির অনুমতি দিয়েছিলঅন্তর্বর্তীসরকার। ওই সময়ে দুই মাসের মধ্যে আমদানি সম্ভব বললেও এখন পর্যন্ত তার বাস্তবায়ন নেই। এদিকে এলপিজির বাজারে বেড়েই চলছে দামের নৈরাজ্য।
আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ায় সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে আমদানি কমিয়ে দেয় কোম্পানিগুলো। পরে দাম বাড়াতে বাধ্য হয় বিইআরসি। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিপিসি আমদানি সক্ষমতা তৈরি করলে চলমান নৈরাজ্য হতো না।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম শাসসুল আলম বলেন, ফিফটি পার্সেন্ট এলএনজি যদি বাজারের চাহিদা অনুযায়ী আমদানি করে এলপিজির। পাশাপাশি সরকার ৬০০ কোটি টাকা খরচ করলেই মজুতের সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে। আন্তর্জাতিক বাজারে টেন্ডার আহ্বান করুক। দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়, দ্রুত এলপিজি সরবরাহ করা জন্য ব্যবস্থা নেয়া যায় না?
এলপিজি অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-লোয়াব বলছে, কোন কোন কোম্পানি বিপিসির আমদানি করা এলপিজি কিনতে চায়, তার তালিকাও দিয়েছেন তারা। এমনকি বিপিসি বেসরকারি কোম্পানিগুলোর মজুত সক্ষমতা ব্যবহার করতে চাইলেও আপত্তি নেই তাদের।
লোয়াবের সহসভাপতি হুমায়ুন রশীদ বলেন, লিখিতভাবে বিপিসিকে কমিটমেন্ট দিয়েছি যে তারা হ্যাঁ বললে আমরা কিনব তাদের কাছ থেকে। যে মূল্য বিপিসি নির্ধারণ করবে, সে মূল্যের উপরে, তারা যে প্রস্তাব দিয়েছে, আমরা ওই প্রস্তাবে রাজি হয়েছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত উনারা কিনতে পারেনি। কেন কিনতে পারেনি? উনারা যে পদ্ধতিতে কেনেন, এই পদ্ধতিটা ঠিক নাই।
এদিকে বিপিসি জানিয়েছে, কোন বাজার থেকে আনবে, কোথায় জাহাজ নোঙর করবে কীভাবে মজুত ব্যবস্থাপনা করা হবে সে বিষয়ে এখনো সমীক্ষা চলছে।
এ রকম আরো সংবাদ...