• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা কেরানীগঞ্জে আমান প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ১ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার ‘মজা করে কমেন্ট করেছি’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে মন্তব্যে যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি আইনজীবীর ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেও সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংক কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ৩ কেরানীগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনের পাশে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার ইরানে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধের শঙ্কা, বিপদে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

জামাকাপড়ের ‘XL’ বা ‘XXL’-এর এই ‘X’ অক্ষরটি আসলে কী বোঝায়?

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

জামাকাপড় কিনতে আমরা সবাই পছন্দ করি। আর কেনাকাটার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে জিনিসটিতে আমরা নজর দিই, তা হলো পোশাকের সাইজ বা মাপ। জামা যতই সুন্দর হোক না কেন, গায়ে যদি ফিট না হয়, তবে তা কখনোই সুন্দর লাগবে না।

পোশাক কিনতে গেলে জামার কলার, ট্যাগ বা ব্র্যান্ডের লেবেলে কিছু ইংরেজি অক্ষর দেখতে পাবেন। যেমন—S, M, L, XL, XXL, XS। এর মধ্যে কোন সাইজটা আপনার জন্য তা হয়তো আপনি বেশ ভালোভাবেই জানেন। দোকানে গিয়ে সবার আগে নিজের প্রয়োজনীয় সাইজটার কথাই জিজ্ঞেস করেন।

কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন- এই অক্ষরগুলোর মানে কী? এগুলো কি শুধুই একটি নম্বর নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে? চলুন জেনে নিই পোশাকের ‘XL’ বা ‘XXL’-এর এই ‘X’ অক্ষরটি আসলে কী বোঝায়-

সাধারণ সাইজগুলোর মানে কী?

আন্তর্জাতিকভাবে জামাকাপড়ের মাপ বেশ সহজভাবেই তৈরি করা হয়েছিল, যাতে যে কোনো দেশের মানুষ দেখলেই নিজের মাপ বুঝতে পারেন।

সাধারণ মাপগুলো হলো-

• S (Small): এর মানে ছোট সাইজের পোশাক।

• M (Medium): এর মানে মাঝারি আকারের পোশাক, যা খুব বেশি বড়ও নয় আবার খুব ছোটও নয়।

• L (Large): এর অর্থ হলো বড় সাইজের পোশাক।

আগে এই তিনটি ছিল পোশাকের স্ট্যান্ডার্ড মাপ। কিন্তু মানুষের শারীরিক গঠন তো আর এই তিনটি মাপে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। কারণ একেক জনের শরীর একেক রকম। কেউ খুব রোগা, কেউ মাঝারি আবার কেউ তুলনামূলক ভারী চেহারার। আর এই বৈচিত্র্যকে মাথায় রেখেই পোশাকের মাপে ‘X’ অক্ষরের ব্যবহার শুরু হয়।

এই ‘X’ অক্ষরটির আসল রহস্য কী?

অনেকে মনে করেন, ‘X’ হয়তো কাপড়ের কোনো বিশেষ কোড, নম্বর বা ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের সংকেত। কিন্তু এর আসল অর্থটা খুবই সহজ।

‘X’ দিয়ে পোশাকের সাইজের ক্ষেত্রে ‘Extra’ বা অতিরিক্ত বোঝানো হয়। X কে বেস হিসেবে ধরেই অন্যান্য সাইজ নির্ধারণ করা হয়।

• XL (Extra Large): অর্থাৎ এটি সাধারণ বড় সাইজের চেয়েও একটু ‘অতিরিক্ত বড়’।

• XXL (Extra Extra Large): এখানে দুটি ‘X’ রয়েছে। তার মানে, এটি সাধারণ বড় সাইজের চেয়ে ‘অতিরিক্ত অতিরিক্ত বড়’।

• XXXL (Extra Extra Extra Large): তিনটি ‘X’ থাকলে সেটি দাঁড়ায় আরও বড় বা ‘অনেক বেশি অতিরিক্ত বড়’ সাইজের পোশাক।

একই নিয়ম আবার ছোট মাপেও খাটানো হয়। যেমন-

• XS (Extra Small): অর্থাৎ সাধারণ ছোট সাইজের চেয়েও এটি ‘অতিরিক্ত ছোট’ পোশাক।

• XXS (Extra Extra Small): যার মানে এটি একেবারে ছোট বা ‘অতিরিক্ত ছোট’ সাইজ।

ইঞ্চির হিসাবে জামার এই মাপগুলো বুঝে নিন

শুধু অক্ষর বা সংকেত দিয়ে বুঝলেই হবে না, কাপড়ের সঠিক মাপটা ইঞ্চির হিসাবে জেনে রাখা ভালো।

• একদম ছোট বা XS – প্রায় ৩৪ থেকে ৩৬ ইঞ্চি

• ছোট বা S – প্রায় ৩৮ ইঞ্চি

• মাঝারি বা M – প্রায় ৪০ ইঞ্চি

• বড় বা L – প্রায় ৪২ ইঞ্চি

• অতিরিক্ত বড় বা XL – প্রায় ৪৪ ইঞ্চি

• অতিরিক্ত অতিরিক্ত বড় বা XXL – প্রায় ৪৬ থেকে ৪৮ ইঞ্চি

আমরা যখন শার্ট, টি-শার্ট বা কুর্তি কিনি, তখন ব্র্যান্ড ভেদে এই হিসাব সামান্য এদিক-ওদিক হতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এই মাপগুলোই ব্যবহার করা হয়।

এই ছোট তথ্যটি কেন জানা প্রয়োজন?

আপনি যখন এই সংকেতগুলোর সঠিক অর্থ জানবেন, তখন বেশ কিছু সুবিধা পাবেন। অনলাইনে কিনতে গেলে পোশাক গায়ে দিয়ে দেখার সুযোগ থাকে না বলে সাইজ চার্ট দেখে অর্ডার করতে হয়। ‘X’-এর হিসাব জানা থাকলে আপনার আর সাইজ নিয়ে কোনো ঝুঁকি থাকবে না। পরিবার বা বন্ধুদের জন্য উপহার কেনার সময় তাদের জন্য সঠিক সাইজের পোশাক বেছে নেওয়া সহজ হবে।

এরপর থেকে পোশাক কিনতে গেলে ট্যাগে ‘XL’ কিংবা ‘XXL’ লেখা দেখে আর বিভ্রান্ত হবেন না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...