• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা কেরানীগঞ্জে আমান প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ১ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার ‘মজা করে কমেন্ট করেছি’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে মন্তব্যে যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি আইনজীবীর ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেও সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংক কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ৩ কেরানীগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনের পাশে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার ইরানে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধের শঙ্কা, বিপদে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

কলাপাড়ায় ১২০০ বন্যা দুর্গত পরিবার পেলো ত্রাণ সামগ্রী

এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া
প্রকাশিত : শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিম্নচাপের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ১২০০ পরিবার পেল ত্রাণ সামগ্রী। শনিবার সকাল থেকে উপজেলার দুর্গত এলাকা ঘুরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে এ ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন কলাপাড়া ইউএনও মো. রবিউল ইসলাম।
এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক মো, ইয়াসীন সাদেক,উপজেলা  দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা মো. মোকসেদুল আলম, মহিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো, ফজলু গাজী, লতাচাপলী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো,মিজানুর রহমান,ধুলাসার চেয়ারম্যান মো, আব্দুর রহিমসহ স্থানীয় সরকার বিভাগের জনপ্রতিনিধি ও দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে নিম্নচাপের প্রভাব কেটে গেলেও আজ শনিবার সকাল থেকে থেমে থেমে উপকূলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ করে শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে । দু’দফা জোয়ারে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বেড়িবাঁধের বাইরে শত শত ঘর বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। টানা বৃষ্টি ও ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ করে গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে কৃষি ও মৎস্য খাতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
কলাপাড়া  দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা মো. মোকছেদুল আলম বলেন, আজ উপজেলার মহিপুর, লতাচাপলি, ধূলাসার, চম্পাপুর, লালুয়া, কুয়াকাটা এলাকার দুর্গত ১২০০ পরিবারের মাঝে ত্রান সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে। বিতরণকৃত এ ত্রান সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১০ কেজি চাল, ৫০০ গ্রাম চিনি, ২৫০ গ্রাম চিড়া, এক প্যাকেট বিস্কিট সহ পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পানিবন্দি ও বাড়িঘর বিধ্বস্ত ১২০০ পরিবারের মধ্যে আপাতত শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে সঠিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপন করে বরাদ্দ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...