• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা কেরানীগঞ্জে আমান প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ১ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার ‘মজা করে কমেন্ট করেছি’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে মন্তব্যে যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি আইনজীবীর ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেও সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংক কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ৩ কেরানীগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনের পাশে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার ইরানে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধের শঙ্কা, বিপদে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

কারাগারে ঈদের নামাজে রাজসাক্ষী মামুনের সঙ্গে কথা বলেননি সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬

ঢাকার কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগারে ঈদের জামাতে অংশ নেন সেখানে বন্দী থাকা আওয়ামী লীগ আমলের মন্ত্রী, এমপি ও আমলারা। এ সময় তারা জুলাই হত্যাকাণ্ডে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সবাই এড়িয়ে যান।শনিবার (২১ মার্চ) ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। ঈদের নামাজ শেষে সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা একে-অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। তবে চোধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে কেউ কোলাকুলি করেননি।
কারাগার সূত্র জানায়, কেরানীগঞ্জ বিশেষ কারাগারে সকাল সাড়ে ৮টায় কারা কর্তৃপক্ষের কঠোর নিরাপত্তায় একটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মামলায় বন্দী থাকা প্রায় ১২৩ জন সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও আমলাসহ অনেকে অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি সেই ঈদের জামাতে নামাজ আদায় করেন রাজসাক্ষী পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনও।
জামাত শেষে সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও আমলারা নিজেরা এবং অন্য বন্দীরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন এবং কুশল বিনিময় করেন। এ সময় রাজসাক্ষী আব্দুল্লাহ আল মামুন সম্পূর্ণ আলাদা হয়েছিলেন। তার আশপাশে কড়া নিরাপত্তা ছিল। সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের কেউ তার সঙ্গে কথা বলা বা কোলাকুলি করার চেষ্টা করেননি। তাদের মধ্যে তেমন কোনো আগ্রহও দেখা যায়নি।
এদিকে কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার (কেরানীগঞ্জ) ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, কারাগারে ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে সব বন্দি ও স্টাফরা অংশগ্রহণ করেছেন।
তিনি বলেন, সকালে নির্ধারিত সময়ে বন্দীদের ঈদ উপলক্ষ্যে মুড়ি ও পায়েস পরিবেশন করা হয়। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। বন্দিরা ঈদ আনন্দের অংশ হিসেবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন এবং পুরো নিরাপত্তার মধ্যে তাদের মতো করে আনন্দ উপভোগ করছেন। পরে তাদের ঈদের বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়।
কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকাসহ দেশের ৭৩ কারাগারে বন্দী রয়েছে হাজতি-কয়েদি মিলিয়ে প্রায় ৮০ হাজার।
কারাগার সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন এবং পরবর্তী আরও দুইদিনসহ- তিন দিনের যে কোনো একদিন স্বজনদের রান্না করে আনা খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন বন্দীরা। এছাড়া বন্দীরা মোবাইল ফোনে তিন মিনিট করে স্বজনদের সঙ্গে ফ্রি কথা বলতে পারবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...