• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা কেরানীগঞ্জে আমান প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ১ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার ‘মজা করে কমেন্ট করেছি’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে মন্তব্যে যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি আইনজীবীর ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেও সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংক কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ৩ কেরানীগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনের পাশে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার ইরানে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধের শঙ্কা, বিপদে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

কেরানীগঞ্জে নিখোঁজ ব্যবসায়ী: মুক্তিপণ দেওয়ার পরে ৬ দিনেও ফেরেননি শাহীন

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

ঢাকার কেরানীগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার পর অপহরণকারীদের দাবি অনুযায়ী মুক্তিপণ দিয়েও ৭ দিনে বাড়ি ফেরেননি শাহিন (৪৫) নামে এক ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। পরিবারের পক্ষ থেকে রাজেন্দ্রপুর স্টিল ব্রিজে টাকা রেখে আসলেও অদ্যাবধি তার কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ শাহিন কালিগঞ্জ নয়াবাড়ি এলাকার শহিদুল্লাহ বেপারীর ছেলে। তিনি চুনকুটিয়া বেবিস্ট্যান্ড এলাকায় ডেকোরেটর ব্যবসা করেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যা থেকে শাহিন নিখোঁজ হন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এরপর গত বুধবার শাহিনের মোবাইল ফোন থেকেই তার শ্যালিকা জুঁইয়ের ফোনে কল করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। বিষয়টি পুলিশকে জানালে শাহিনকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে অপহরণকারীদের সাথে দর কষাকষির পর ৫০ হাজার টাকা দিতে রাজি হয় পরিবার। অপহরণকারীদের নির্দেশনা অনুযায়ী রাজেন্দ্রপুর স্টিল ব্রিজের রেলিংয়ে সেই টাকা ঝুলিয়ে রেখে আসা হয়। অপহরণকারীরা কথা দিয়েছিল টাকা পাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই শাহিন বাড়ি ফিরে আসবে। কিন্তু আজ সোমবার পর্যন্ত ৭ দিন অতিবাহিত হলেও শাহিনের কোনো হদিস মেলেনি। এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ও র‍্যাব-১০ এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) এএসআই জাকির হোসেন বলেন, “পরিবারের লোকজন যখন মুক্তিপণের টাকা নিয়ে রাজেন্দ্রপুর গিয়েছিল, তখন আমি অন্য একটি ডিউটিতে ছিলাম। আমি তাদের বলেছিলাম অপরাধীদের দেখা মাত্রই আমাকে জানাতে, যেন তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো যায়।”

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব-১০ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করেছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...