• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা কেরানীগঞ্জে আমান প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ১ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার ‘মজা করে কমেন্ট করেছি’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে মন্তব্যে যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি আইনজীবীর ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেও সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংক কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ৩ কেরানীগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনের পাশে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার ইরানে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধের শঙ্কা, বিপদে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

‘চিৎকার শুনেছিলাম, সেটা যে রামিসার ছিল বুঝতে পারি নাই’

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তার মা পারভীন আক্তার বললেন, ‘আমি একটা চিৎকার শুনেছিলাম, কিন্তু সেটা যে ওর (রামিসা) ছিল তা বুঝতে পারিনি।’

বৃহস্পতিবার (২১ মে) একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রামিসার মা এভাবেই বুকফাটা আর্তনাদে সেদিনের ঘটনার বর্ণনা দেন।

পারভীন আক্তার বলেন, ‘আমি রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। ওকে বলছিলাম দাঁত ব্রাশ করে মুখ ধুয়ে স্কুল ড্রেস পরে নিতে। এরপর ও পাশের রুমে যায় দাঁত ব্রাশ করতে।’

শিশু রামিসা হত্যা: খুনি সোহেলের জবানবন্দিতে উঠে এলো আঁতকে ওঠার মত তথ্য
তিনি জানান, রামিসার বড় বোন তখন পাশের ফ্ল্যাটে চাচার বাসায় যাচ্ছিল। রামিসাও তার পেছনে যেতে চাইলে বড় বোন তাকে নিজের বাসায় থাকতে বলে। তখন রামিসা দরজার ভেতরেই ছিল। কিন্তু দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই পাশের ফ্ল্যাট থেকে ওৎ পেতে থাকা খুনিরা তাকে জোরপূর্বক টান দিয়ে ভেতরে নিয়ে যায়।

পারভীন আক্তার বলেন, ‘ঘটনার পর দরজার সামনে একটা জুতা পড়ে ছিল, আরেকটা ছিল না। এরপর দেখি ওর বড় বোন চাচার বাসা থেকে একাই ফিরে আসছে। তখন আমার সন্দেহ হলো। এর মধ্যে আমি একটা চিৎকারও শুনেছিলাম। কিন্তু বুঝতে পারি নাই যে ওই চিৎকার রামিসার ছিল। ভাবছিলাম পাশের ফ্ল্যাটের অন্য কোনো বাচ্চার চিৎকার হবে।’

তিনি জানান, মনে সন্দেহ জাগার পরই তিনি প্রতিবেশীদের নিয়ে পাশের ওই ফ্ল্যাটের দরজায় বারবার ধাক্কা দেন এবং ডাকাডাকি করেন। কিন্তু ভেতর থেকে কেউ দরজা খোলেনি। অভিযুক্ত এই প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাদের কখনো তেমন পরিচয় বা কথা হয়নি বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার রক্তাক্ত ও খণ্ডবিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই নৃশংস ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় রামিসাদের পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাতনামা আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে স্থানীয়রা আটকে রেখে পুলিশে দেয় এবং প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও ওই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...