চেন্নাইয়ে সংবাদ সম্মেলনে এআইএডিএমকে নেতারা বলেন, ‘দলীয় হুইপ অমান্য করায় সংশ্লিষ্ট সদস্যরা তাদের পদ হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছেন। আমরা তাদের অযোগ্য ঘোষণার আবেদন জমা দিয়েছি।
তবে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দাবি, নতুন নির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই হুইপ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাই সেই হুইপ বৈধ নয় এবং তা মানার বাধ্যবাধকতাও ছিল না।
তিনি আরো বলেন, ‘দলের সাধারণ সম্পাদক সরাসরি হুইপ নিয়োগ করতে পারেন না। নতুন বিধায়কদের বৈঠক ডেকে সেখানে আইনসভার নেতা, উপনেতা ও হুইপ নির্বাচন করতে হয়। কিন্তু ইপিএস নিজেই হুইপ নিয়োগ করেছেন।’
এদিকে পালানিস্বামী আরজি কৃষ্ণমূর্তিকে হুইপ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। তবে নতুন স্পিকারের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি এখনো বাকি।
মহারাষ্ট্রের শিবসেনা বিভক্তির মামলার রায় উল্লেখ করে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, দলীয় বিভক্তির ক্ষেত্রে স্পিকারের দায়িত্ব হলো— কে, কখন এবং কিভাবে হুইপ নিয়োগ করেছেন, তা যাচাই করা এবং উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা।
ওই মামলায় রাহুল নারওয়েকার শুধুমাত্র একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠী বা বালসাহেবচি শিবসেনার প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে ভারত মারুতি গোগাওয়ালেকে শিবসেনার হুইপ ঘোষণা করেছিলেন, যাকে সুপ্রিম কোর্ট ‘অবৈধ’ বলেছিলেন।
বর্তমানে তামিলনাড়ুতেও উভয় পক্ষের বিধায়করা স্পিকারের কাছে নিজেদের গোষ্ঠীকে আইনসভা দলের বৈধ নেতৃত্ব হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন করেছেন। সদ্য নিয়োগ পাওয়া স্পিকার এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেননি।
দলীয় সূত্রের ধারণা, শেষ পর্যন্ত এ বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়াতে পারে।