• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা কেরানীগঞ্জে আমান প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ১ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার ‘মজা করে কমেন্ট করেছি’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে মন্তব্যে যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি আইনজীবীর ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেও সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংক কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ৩ কেরানীগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনের পাশে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার ইরানে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধের শঙ্কা, বিপদে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

নির্ধারিত সময়ের আগেই স্কুল বন্ধ, প্রধান শিক্ষককে শোকজ

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যালয় তালাবদ্ধ করে চলে যাওয়ার অভিযোগে চরফ্যাশন উপজেলার ৫১ নম্বর হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুল আলমকে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) করেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তাকে লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিজানুর রহমান এ নোটিশ জারি করেন বলে নিশ্চিত করেছেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে স্থানীয় সাংবাদিকরা বিদ্যালয়টি তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তারা মোবাইল ফোনে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন। তিনি বিদ্যালয় বন্ধ থাকার সত্যতা পান।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৫১ নম্বর হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ছয়জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষার্থী সংখ্যা দুই শতাধিক। বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা জানান, সোমবার সকালে যথারীতি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। তবে দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষকদের উদ্যোগেই শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে বিদ্যালয় তালাবদ্ধ করে চলে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মনিরুল আলম বলেন, “সোমবার সকালে আমরা ছয়জন শিক্ষক উপস্থিত ছিলাম। সকালে একজন শিক্ষক ছুটি নিয়ে চলে যান। বাকি পাঁচজন বিদ্যালয়ে দায়িত্বে ছিলাম। কেরামতগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থাকায় আমি চারজন শিক্ষককে রেখে সেখানে যাই। পরে জানতে পারি, আমি বেরিয়ে যাওয়ার পর ওই চার শিক্ষক বিদ্যালয় তালাবদ্ধ করে চলে যান।”

সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে সেটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পেয়েছি।”

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, “প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তার জবাব পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...