• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কেরানীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযানের উদ্বোধন কেরানীগঞ্জে জিপিএ-৫ ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেশে সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা হচ্ছে: আমানউল্লাহ বিএনপি-আ.লীগ মিলেমিশে বালু উত্তোলনের ব্যবসা র‍্যাবের বদলে এসআরবি, সংসদে বিল পাস ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার, মিলল চাপাতি ও খেলনা হ্যান্ডকাফ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের পুকুরে নেমে দুই নারীর মৃত্যু স্বামীর সঙ্গে বিরোধ মেটানোর কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণ, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার কেরানীগঞ্জে নকল ডিটারজেন্ট কারখানায় অভিযান, মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা কেরাণীগঞ্জ ও শোয়ারিঘাটে পৃথক অভিযানে ভারতীয় পণ্য ও পলিথিন জব্দ

বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ৪৫ জন কারাগারে

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার ৪৫ জনের জামিন আবেদন খারিজ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পুলিশের আবেদনের পর শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান এই আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম রাসেল জানান, দুপুরের পর গ্রেফতার আসামিদের আদালতের হাজতখানায় আনা হয় এবং বিকেল তিনটার দিকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপ-পরিদর্শক মো. শামসুজ্জোহা সরকার আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষ জামিনের আবেদন জানায়।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কারাগারে পাঠানোর আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা বিটিআরসি ভবনে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে গ্রেফতার ব্যক্তিদের সঠিক পরিচয় ও ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আবেদনে আরও বলা হয়, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামি ও মদদদাতাদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে রিমান্ড আবেদন করা হতে পারে। জামিনে মুক্তি পেলে তারা পলাতক হতে পারেন এবং মামলার তদন্ত ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কারাগারে পাঠানো ৪৫ জনের মধ্যে রয়েছেন- মো. দেলোয়ার হোসেন, সৈয়দ আহমেদ শুভ, মো. শাহজাহান, অপূর্ব ইসলাম, শরিফুল ইসলাম নিলয়, মো. জাহিদ হাসান হৃদয়, মো. শাহেদ ভূঁইয়া, বুলবুল আহমেদ, দীপক হাজরা, মো. মান্না হোসেন, ইয়াছিন আরাফাত অর্ণব, মো. আশরাফ উদ্দিন, মো. শাহ জালাল, মো. শাহিন (দুজন), মো. নাইম, সাইদুর রহমান, ইমতিয়াজ আহমেদ হৃদয়, মো. রমজান, মো. সাব্বির হোসেন (দুজন), মো. তরিকুল ইসলাম রিফাত, মো. মঈন হোসেন রাজন, মো. অনিক হোসেন, মো. তরিকুল ইসলাম, মো. রিফাত হোসেন, মো. হানিফ মিয়া, মো. শাহাদাৎ হোসেন রাব্বি, মো. সোহানুল হক, মো. তারেক আজিজ, মো. সাজ্জাদ ইসলাম, মো. শিপন, মো. এজাজ হোসেন সিয়াম, মো. উনায়েস ইমরান, মো. মনিব আক্তার, মো. হারিজ, এস এম মতিউর রহমান, মো. রাজন শেখ, মো. আবু সাদিক রাকিব, মো. মামুন ব্যাপারী, মো. মজিবুর রহমান, মো. সালাহ উদ্দিন ব্যাপারী, মো. আমিনুল ইসলাম নাঈম, মো. রাকিবুল হাসান রাকিব ও মো. আব্দুল্লাহ সবুজ।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিটিআরসির আইন ও লাইসেন্সিং বিভাগের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জাহেদ শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের একটি অংশ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন করে আসছিল। বিটিআরসির চেয়ারম্যান তাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করলেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম চালু করা হয়।

এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা, পলাতক আরও ৯ জন এবং অজ্ঞাতনামা ৫০০ থেকে ৬০০ জন ১ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে বিটিআরসি ভবনের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা ভবনের বিভিন্ন অংশে ভাঙচুর চালিয়ে আনুমানিক দুই কোটি টাকার ক্ষতি করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া বিটিআরসি ভবনের সামনে থাকা সংস্থাটির একটি ৫১ আসনের স্টাফ বাস ভাঙচুর করে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...