• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা কেরানীগঞ্জে আমান প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ১ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার ‘মজা করে কমেন্ট করেছি’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে মন্তব্যে যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি আইনজীবীর ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেও সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংক কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ৩ কেরানীগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনের পাশে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার ইরানে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধের শঙ্কা, বিপদে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

মাইকিং করে চার পরিবারকে সমাজচ্যুত, সেই বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

কুমিল্লার লাকসামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে চারটি পরিবারকে মাইকিং করে সমাজচ্যুত করার অভিযোগে গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেনকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

লাকসাম উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহমান বাদল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সিদ্ধান্তটি ১৩ আগস্ট থেকে অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ইছাপুরা গ্রামের চারটি পরিবারকে সমাজচ্যুত করার বিষয়টি বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়েছে। আলমগীর হোসেনের এ ধরনের কর্মকাণ্ড দলের ভাবমূর্তি ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ক্ষুণ্ন করেছে। তাই ৫ নম্বর গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদসহ তাকে সব ধরনের পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। একই সঙ্গে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে কোনো রাজনৈতিক বা অন্যান্য কার্যক্রম না চালানোর জন্যও তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১০ আগস্ট সন্ধ্যায় ইছাপুরা পূর্বপাড়া ও পশ্চিমপাড়া সমাজের পক্ষ থেকে মাইকিং করে চার পরিবারকে সমাজচ্যুত করার ঘোষণা দেওয়া হয়। মাইকিংয়ে ওই পরিবারগুলোর সদস্যদের সাথে সামাজিক কর্মকাণ্ড, ব্যবসা-বাণিজ্য ও লেনদেন বন্ধ রাখার আহ্বান জানান হয়। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

ভুক্তভোগী মমিন আলী জানান, প্রায় সাড়ে ৭ শতাংশ জমি নিয়ে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে ২০ আগস্ট সালিস বসার কথা থাকলেও ২ জুলাই তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে এবং সালিসের সিদ্ধান্ত অমান্য করার অভিযোগ তুলে তাদের পরিবারকে সমাজচ্যুত করা হয়। এর ফলে ছোট ছোট শিশুরাও কেনাকাটা করতে গেলে বাজারে খারাপ ব্যবহারের শিকার ও হুমকিস্বরূপ আচরণের মুখে পড়ে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন হস্তক্ষেপে নামে। লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী কামরুন নাহার লাইলী জানান, আইনগত অধিকার হিসেবে কেউ আদালতে যেতেই পারেন, কিন্তু কাউকে সমাজচ্যুত করা গ্রহণযোগ্য নয়। পরে থানা পুলিশের উপস্থিতিতে দুই পক্ষ বিষয়টি মীমাংসা করে এবং সমাজচ্যুত করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে ক্ষমা চায় অভিযুক্ত পক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...