১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে হবিগঞ্জে সমাবেশ করতে যাওয়ার পথে মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ সীমান্তে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন এনসিপির নেতাকর্মীরা।
পরে সন্ধ্যায় তারা পুলিশের ব্যারিকেড অতিক্রম করে হবিগঞ্জে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ দফায় বাধা দেয়, এনসিপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির মতো অবস্থা তৈরি হয়।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে একাধিক ভিডিও। এসবের মধ্যে একটি ভিডিওতে দেখা যায় ব্যারিকেড অতিক্রম করতে গিয়ে সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতুর সঙ্গে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয় এ সময় সার্জিস আলম এগিয়ে আসেন। আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায় এনসিপির নাহিদ ইসলামও এগিয়ে আসেন।
পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হলে এগিয়ে আসেন নাহিদ ইসলামওএই ঘটনার দুটি স্থিরচিত্র উচ্চ রেজুলেশন করে নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন মাহমুদা মিতু। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘যুগে যুগে ভাইয়েরা এভাবেই বোনদের জন্য ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। এই দুটি ছবি দেখার পর আমি আর চোখের জল ধরে রাখতে পারলাম না।’
সে-সময় হবিগঞ্জে প্রবেশের চেষ্টা করলে ঘটনাস্থলের পাশের কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে এনসিপির সঙ্গে বৈঠকে বসেন পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ।
পরে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের হয়েছে।