• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা কেরানীগঞ্জে আমান প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ১ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার ‘মজা করে কমেন্ট করেছি’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে মন্তব্যে যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি আইনজীবীর ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেও সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংক কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ৩ কেরানীগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনের পাশে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার ইরানে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধের শঙ্কা, বিপদে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

কেরানীগঞ্জে সিলগালা করা কারখানা থেকে জব্দকৃত নকল সার ও কীটনাশক চুরি

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঢাকার কেরানীগঞ্জে নকল সার ও কীটনাশক তৈরির অভিযোগে বন্ধ করে দেওয়া একটি কারখানা থেকে জব্দ করা মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার হযরতপুর ইউনিয়নের চরজগন্নাথপুর এলাকার ওই কারখানা পরিদর্শন করে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হাসান-উজ-জামান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ওমর ফারুক। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে।

এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা জেলা এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব, পুলিশ ও উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের সমন্বয়ে কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযান শুরুর সময় কারখানার কর্তৃপক্ষ পাঁচ শ্রমিককে ভেতরে তালাবদ্ধ করে রেখে পালিয়ে যায়। পরে তালা ভেঙে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। এ সময় কারখানার ভেতর থেকে মো. জিয়াউর রহমান ইকবাল নামের এক মালিককে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে দুই মাসের কারাদণ্ড দেন। কারখানার আরও সাত অংশীদার সাইদ, রহমান, আরাফাত, বাবু, মকবুল, আজাদ ও শাহীন পলাতক রয়েছেন।

অভিযানে প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের প্রস্তুত করা পণ্য ও কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছিল। প্রশাসনের ভাষ্য, ডলোমাইট চুন, মাটি ও বিভিন্ন রাসায়নিক মিশিয়ে নকল টিএসপি সার ও পশুখাদ্য তৈরি করা হতো ওই কারখানায়। এ ছাড়া সিনজেন্টা, পদ্মা অয়েল ও সিয়াম ক্রপ কেয়ারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের মোড়ক নকল করে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কার্বোফুরানসহ ক্ষতিকর কীটনাশক তৈরি করা হতো। অভিযানের পর কারখানাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। জব্দ করা পণ্য ধ্বংস এবং কাঁচামাল নিলামে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজন জানান, এর আগেও ২০১৭ ও ২০২১ সালে ওই কারখানায় অভিযান চালিয়ে নকল পণ্য ধ্বংস ও কারখানা সিলগালা করা হয়েছিল। সর্বশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মালামাল জব্দ করার মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে সেগুলো কীভাবে চুরি হলো, তা নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কারখানাটি যে জমিতে অবস্থিত, সেটির মালিক ‘ডিআইজি মিজান’ ওরফে টুঙ্গীপাড়ার মিজান নামে পরিচিত একজন ব্যক্তি।

এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের জব্দ করা মালামাল চুরির ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...