প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে একাধিক খাতে পূর্ণাঙ্গ কর অব্যাহতি ও শুল্ক ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এবারের বিস্তারিত ...
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পরিবহন খাতে বরাদ্দ কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এ খাতের ৪ টি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সেতু বিভাগের
দেশের পার্বত্য অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে আগামী অর্থবছরের বাজেটে উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানকে কেন্দ্র করে
নতুন সরকার পরিবেশ দূষণ রোধে লাগাম টানা এবং বিলাসী জীবনযাত্রায় করের আওতা বাড়াতে ব্যক্তিগত একাধিক গাড়ির ওপর ‘পরিবেশ সারচার্জ’ বা কার্বন ট্যাক্স বহাল রেখেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, কোনো
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে চিনির ওপর থাকা ১ শতাংশ উৎসে কর কমিয়ে ০ দশমিক ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব থাকতে পারে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হবে। এ ছাড়া
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) সনদ দাখিল বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এই নিয়মে ছাড় পাবেন শিক্ষার্থী ও বিশেষ কিছু শ্রেণির হিসাবধারীরা।
আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হিসাববিদদের ‘স্বপ্রণোদিত নিয়ন্ত্রণ’ বা সেলফ-রেগুলেশনের আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের ধাক্কা এবং পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া বিপুল ঋণের বোঝা কাটিয়ে দেশের অর্থনীতি পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে অন্তত আরও দুই বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির