• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা কেরানীগঞ্জে আমান প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ১ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার ‘মজা করে কমেন্ট করেছি’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে মন্তব্যে যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি আইনজীবীর ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেও সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংক কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ৩ কেরানীগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনের পাশে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার ইরানে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধের শঙ্কা, বিপদে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতারের দাবি নাহিদ ইসলামের

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।
আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহিদদের কবর জিয়ারত শেষে এ দাবি জানান তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ে গণহত্যা ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। এজন্য তিনি গণহত্যার দায় এড়াতে পারেন না। সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাকে অভিসংশন করতে হবে। এরপর গণহত্যার দায়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা মনে করি এই প্রথম যে অধিবেশন হবে সংসদ অধিবেশন, সে অধিবেশনে সবচেয়ে প্রথম কাজটি হবে এই ফ্যাসিস্ট সময়ের রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া। নতুন জাতীয় সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দল সবাই মিলে এই কাজটি করবে, কারণ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমাদের জাতীয় ঐক্য রয়েছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই জনগণের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের দাবি ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে আসতে না পারায় তা সম্ভব হয়নি। সেই সময় রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও সাংবিধানিক শূন্যতার কথা বলে রাষ্ট্রপতিকে রেখে দেওয়া হয়েছে। এখন নতুন সরকার এসেছে, নতুন সংসদ তৈরি হয়েছে। আমরা মনে করি রাষ্ট্রপতির এখন চলে যাওয়াটা কেবলই সময়ের ব্যাপার।’
জুলাই গণহত্যায় রাষ্ট্রপতির ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘সেই নির্মম হত্যাযজ্ঞের সময় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেননি। তিনি নীরব ও নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে কোটা সংস্কার দাবি নিয়ে আমরা বঙ্গভবন পর্যন্ত গিয়েছিলাম। তার নীরব ভূমিকা ও নিষ্ক্রিয়তার কারণে এই গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...