ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলার রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে উঠে এসেছেন থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. সোহেল রানা। আসন্ন শুভাঢ্যা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে তার সক্রিয়তা, মাঠ পর্যায়ে ধারাবাহিক গণসংযোগ এবং কর্মীদের সু-সংগঠিত করার কৌশল ইতোমধ্যেই ভোটের সমীকরণ বদলে দিচ্ছেন বলে অনেক রাজনীতিবিদেরা মনে করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে শুভাঢ্যা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছেন সোহেল রানা। এ সময় তিনি এলাকার উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এলাকাবাসীর মতামত শুনছেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিচ্ছেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
এদিকে এলাকাবাসী বলেন, সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করাই তার মূল উদ্দেশ্য। উন্নয়নমূলক ভাবনা এবং জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা ভাবতে বাধ্য করছে। সোহেল রানা কথায় নয়, কাজে প্রমাণ দিচ্ছেন। স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি থাকা অবস্থায় ইতিমধ্যে তিনি রাস্তাঘাট ও শিক্ষা উন্নয়ন, গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সুনাম অর্জন করেছেন।
সব মিলিয়ে, আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে শুভাঢ্যা ইউনিয়নে গণসংযোগের মাধ্যমে নিজের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোহেল রানা। স্থানীয় রাজনীতিতে তার এই তৎপরতা ইতোমধ্যেই আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
উল্লেখ্য, মো. সোহেল রানা ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৯০ সালে কবি নজরুল সরকারি কলেজে অধ্যয়নকালে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়। ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকার-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের হাত ধরে তার স্বেচ্ছাসেবক দলের পদার্পণ ঘটে।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক কারণে কারাভোগও করতে হয়েছে সোহেল রানাকে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, সেই সময় তিনি রাজনৈতিক নানা প্রতিকূলতা ও চাপের মুখে পড়েন এবং দীর্ঘ সময় মামলা-হামলার মধ্য দিয়ে কষ্টকর সময় পার করেন। তবুও তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সরে দাঁড়াননি; বরং দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় থেকেছেন।