চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জামায়াত প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলামের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে মিজানুর রহমান নামে একজনের বিরুদ্ধে। তিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও ছনুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল হক চৌধুরীর অনুসারী বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মিজানুর রহমান চরপাড়ার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে।
মঙ্গলবার গাছে উঠে ব্যানার নামিয়ে ফেলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা তৈরি হয়।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ছনুয়া-পুঁইছড়ি বেইলি সেতুর মুখে গাছে লাগানো একটি ব্যানার মিজানুর রহমান ছিঁড়ে ফেলেন। এ সময় ব্যানারের সাথে থাকা কাঠি একজন শিক্ষার্থী মাথায় পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী জামায়াত কর্মী রেজাউল হাকিম বলেন, আমাদের ব্যানারের সাথে বিএনপির প্রার্থী মিশকাতুল ইসলামের ব্যানারের দূরত্ব ছিল। এরপরও তাদের ব্যানারের কাছাকাছি লাগানোর অজুহাত দিয়ে দাঁড়িপাল্লার ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলে দেয়। এ সময় আমি বাধা দিলে কথা শুনেনি। পরে ঘটনার ভিডিও করে রাখি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছনুয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবদুর রশিদ ছানুবী বলেন, সেনাক্যাম্প থেকে ফোন করে এ বিষয়ে খোঁজ নিয়েছে। আমরা বিষয়টি ইউএনও মহোদয়কেও জানিয়েছি। বিএনপির লোকজন গায়ে পড়ে আমাদের সাথে দাঙ্গা করতে চাচ্ছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ছনুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা রেজাউল হক চৌধুরী বলেন, কার ব্যানার কে ছিঁড়েছে আমি কিছুই জানি না। আমি চট্টগ্রাম শহরে অবস্থান করছি। আমাকে সকাল থেকে বিভিন্ন সাংবাদিক ফোন দিচ্ছে। থানা থেকে ফোন দিচ্ছে। আমি তো এ বিষয়ে অবগত না। যারা আমার নাম বলছে, তাদের কাছ থেকে জিজ্ঞেস করুন।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জামশেদুল আলম বলেন, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি আমি দেখেছি। স্থানীয় জামায়াত নেতারাও আমাকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। ভিডিওটি আমি ইলেকশন ইনকোয়ারি কমিটিকে পাঠিয়েছি। তারা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন।
এ রকম আরো সংবাদ...