• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা কেরানীগঞ্জে আমান প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ১ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার ‘মজা করে কমেন্ট করেছি’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে মন্তব্যে যুবকের ৭ দিনের রিমান্ড সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি আইনজীবীর ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেও সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংক কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ৩ কেরানীগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবনের পাশে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার ইরানে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধের শঙ্কা, বিপদে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

সেফটি পিন এর নীচে ছোট্ট গোল ছিদ্র কেন থাকে, জানেন না এর আসল কাজ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য এই ছোট্ট সেফটি পিনের নিচে থাকা ছোট্ট গোল ছিদ্রটি আসলে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা হয়তো অনেকেই জানেন না। সাধারণভাবে সেফটি পিনকে একটি ছোট ধাতব পিন হিসেবে দেখা হয় যা শাড়ি, কাপড় কিংবা অন্যান্য জিনিসপত্র ঠিকঠাকভাবে ধরে রাখে। কিন্তু এর নীচের গোলাকার অংশ বা ‘স্প্রিং’ এবং ছোট্ট গোল ছিদ্রের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে পিনের কার্যকারিতার অন্যতম প্রধান রহস্য।

বিজ্ঞাপন
সেফটি পিনের ইতিহাস প্রাচীন। ইউরোপের ব্রোঞ্জ যুগে এর প্রাথমিক রূপ ‘ফিবুলা’ নামে পরিচিত ছিল। আধুনিক সেফটি পিনের উদ্ভাবক ওয়াল্টার হান্ট ১৮৪৯ সালে এটি তৈরি করেন একটি বাঁকা তারের মাধ্যমে। যদিও তিনি নিজে এর মূল্য বুঝতে পারেননি এবং পেটেন্ট বিক্রি করে দেন মাত্র ৪০০ ডলারে, পরে এর ব্যবহার থেকে কোটি কোটি টাকা উপার্জিত হয়।

সেফটি পিনের নিচের গোলাকার অংশটি আসলে একটি স্প্রিং। এটি শুধু ডিজাইনের অংশ নয়, বরং পিনে ‘টেনশন’ তৈরি করে, যার ফলে সূচালো মাথাটি শক্তভাবে নিরাপদ স্থানে আটকে থাকে। এই টেনশন না থাকলে পিন বারবার খুলে যেত, যার ফলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা ছিল। ছোট্ট গোল ছিদ্র বা স্প্রিং অংশটি পিনটিকে যথাযথ স্থিতি প্রদান করে এবং ব্যবহারকারীদের আঘাত থেকে রক্ষা করে।

অপর অংশ হলো হেড বা গার্ড। এটি পিনের সূচালো অংশকে নিরাপদে ঢেকে রাখে, যাতে ব্যবহারকারীরা আঘাত না পান।

সুতরাং, সেফটি পিনের নিচে ছোট্ট গোল ছিদ্র বা স্প্রিং শুধুমাত্র সাজসজ্জার জন্য নয়, এটি পিনটিকে নিরাপদ, কার্যকর এবং ব্যবহার উপযোগী করে তোলে।আজকের দিনে এই ক্ষুদ্র অথচ গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের পিছনে লুকানো ইতিহাস ও বিজ্ঞানের কথাটি আমাদের সচেতন করে যে, ছোট্ট জিনিসও হতে পারে জীবনের বড়ো নিরাপত্তা উপাদান।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...